আখলাক হুসাইন, সিলেট জেলা প্রতিনিধিঃ“রাজনীতি যার যার, ঐক্য-বন্ধন-উন্নয়ন সবই হউক একতার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে সিলেট বিভাগের আলোচিত সামাজিক সংগঠন সম্মিলিত বন্ধু ফোরাম সিলেটের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ ভ্রমণ ও পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ মার্চ) পৃথক পৃথক অধিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ ঈদ ভ্রমণ ও পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মিলিত বন্ধু ফোরাম সিলেটের আহ্বায়ক শ্রমিক নেতা জাহেদ আহমদের সভাপতিত্বে ও উদ্যোক্তা এম এ রহীম এবং সদস্য সচিব মাওলানা সোহেল আহমদ ফাহিম এর যৌথ পরিচালনায় সিলেট সদর উপজেলার খদিমনগর ইউনিয়নের ধোপাগুল নয়াবাজারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিলেট সদর উপজেলার ২নং হাটখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা কে এম রফিকুজ্জান, ছাতক উপজেলা রেজিস্টারি অফিসের দলিল লেখক সোলাইমান তালুকদার, দক্ষিণ সুরমা বলদি এলাকার বিশিষ্ট রাজনিতিবিদ ও সমাজ সেবক জাহেদ আহমদ মায়াজ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর খদিম নগর জাতীয় উদ্যানের উদ্দেশ্য যাত্রা করা হয়। সেখানে পরিদর্শন পর্ব শেষ করে ২য় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ২য় অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন পাথর শ্রমিক বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি সাংবাদিক আবুল হোসেন, বাংলাদেশ লাল সবুজ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিটন আহমদ আরমান, সাপ্তাহিক গোয়াইনঘাট সংবাদের ফতেপুর প্রতিনি হাসান আহমদ চৌধুরী, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কামরান আহমদ তালুকদার।
সর্বশেষ রাতারগুলস্থ রমনগর হাজী মুজিব কমিউনিটি সেন্টারে সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বিলাল আহমদ চৌধুরী, ধুপাগুলস্থ হাজী মখলিস এন্ড সন্স এর সত্ত্বাধিকারী মুহাম্মদ আব্দুল আহাদ, নবদুত সামাজিক ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান ও মাহাদুল কোরানের প্রধান পরিচালক আসাদুল্লাহ, ফরিংউড়া তাহফিজুল কোরান মাদ্রাসার মুহতামীম হাফিজ মাওলানা আবদুল মুমিন, হাফিজ ওয়ারিছ আলী, ইয়াহইয়া আহমদ, সাতগাঁও মাদ্রাসার মুহতামীম মাওলানা জুবায়ের আহমদ, বাংলাবাজার রহমানিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস কবি মাওলানা আখলাক হুসাইন, ধুপাগুল এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ সাইফুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রমিক নেতা টুনু মিয়া, হাবিবুর রহমান, আব্দুস শহিদ টিকাদার, নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন সাহেবের বাজারের অন্যতম নেতা জালাল উদ্দীন, ফরিদ উদ্দিন, যুব সংঘঠক ইসমাইল হোসেন, সাহাব উদ্দিন, সাহবের বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী মাহবুব হোসেন সাদ্দাম, গোলাপকুঁড়ি ক্যাডেট একাডেমির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান শিকদার , নাসিম আহমদ, ইলেক্ট্রেশিয়ান সুহেল আহমদ, সোলাইমান আহমদ সোরমান, আব্দুল আজিজ, আবু তারেক, মিজানুর রহমান, জিন্দাবাজার অনন্যা নেটের ম্যানেজার সুমন আহমদ, পিরেরগাঁও এলাকার মাওলানা হেলাল আহমদ, দারুল আযকার জামেয়া ইসলামিয়া (উজান) ফতেপুরের পরিচালক জুয়েব রহমান জসীম, দলিল লেখক আবুল কালাম, ব্যাংকার এ আই বুলবুল, স্যার ফার্মেসীর পরিচালক নাঈম আহমদ, আহাদ আর্ট এর সত্ত্বাধিকারী আবদুল আহাদ নোমান, ধুপাগুল ওয়েছকুরুনী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতীব সাজ্জাদুর রহমান শামীম, বালুচর নয়াবাজার মসজিদের ইমাম হাফিজ মাওলানা আনসার আহমদ, গোলাপগঞ্জের সাবেক ছাত্র নেতা রিয়াজ উদ্দিন, কে এম মনসুর আহমদ, সাহেল আহমদ, সাহরুল ইসলাম, তোফায়েল আহমদ, মুহিউদ্দিন সেলিম, আল আমীন, নাজিম উদ্দিন, মাওলানা হাবিবুর রহমান, কামরুল ইসলাম, হুমায়ুন রশিদ, আসাদুর রহমান চৌধুরী, সিদ্ধিক আহমদ শাবিপ্রবি, শররীফ উদ্দীন, শাহিন আহমদ, রাজিব হোসেন সিদ্দিকুর রহমান ছাতক,রুহুল আমীন শিকদার, নাহিদ, হেদায়েতুল ইসলাম রাহেল,মুমিনুল ইসলাম, হেমাল উদ্দিন নেহাল, রকি জামান প্রমুখ।
দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো- মোটর শুভাযাত্রা, বিভিন্ন পর্যটন স্পট পরিদর্শন, পারস্পারিক পরিচিতি,একসাথে দুপুরের খাবার, হামদ-নাথ ও দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশন ইত্যাদি।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয় এবং মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি হয়।