সারাদেশ

১২ ফেব্রুয়ারীর পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে আর কোন চাঁদাবাজি চলবে না—নূরুল ইসলাম বুলবুল

  প্রতিনিধি ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ , ১০:৩৭:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায়িক খাতের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও তা উত্তরণে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস্ এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, জেলা শাখার উদ্যোগে (১৭ জানুয়ারি) শনিবার সকাল সাড়ে ১১ ঘটিকায় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির কনফারেন্স রুমে“চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায় ক্ষেত্রের সমস্যা চিহ্নিতকরণ: করণীয়” শীর্ষক এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস্ এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন। উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল। অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত থাকবেন, সেক্রেটারি মোঃ তরিকুল আলম মোল্লা, জেলা ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা আবু জার গিফারী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস্ এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাঃ লতিফুর রহমান, সংগঠনটির উপদেষ্টা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যাপক মোঃ নজরুল ইসলাম, সংগঠনটির উপদেষ্টা ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোখলেশুর রহমান, সংগঠনটি পৌর শাখার সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন ও সেক্রেটারি শামসুজ্জোহা ( মুকুল), জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বক্কর, পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী এবং সদর আমীর হাফেজ আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন,“দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক একটি ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়তে ব্যবসায়ীকদের ভূমিকা অপরিসীম।

 

একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই অগ্রগতিতে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ীরা কেবল মুনাফা অর্জনের জন্য কাজ করেন না; বরং তারা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেন। যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি—ব্যবসায়ীরা নতুন শিল্প ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেন। এর মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস পায় এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হয়। ব্যবসায়ীরা জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান—ব্যবসায়ীরা কর প্রদান, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বাড়ান। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার ও ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ীরা আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করতে পারেন। এছাড়াও ব্যবসায়ীরা সামাজিক দায়বদ্ধতা সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখে, যেমন- দুর্যোগকালে সহায়তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অনুদান, পরিবেশ রক্ষা এবং নৈতিক ব্যবসাচর্চার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন। সবশেষে বলতে চাই, দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করলে ব্যবসায়ীরাই হতে পারেন দেশের উন্নয়নের অগ্রদূত। আসুন, আমরা সবাই মিলে দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে একটি শক্তিশালী, ন্যায্য ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

Author

আরও খবর

Sponsered content